চবিতে পাখিদের কিচিরমিচিরে নৈসর্গিক দৃশ্যপট

রিসালাত লিছান

দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ের কোলে অবস্থিত সবুজে ঘেরা প্রকৃতির এক নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপরূপ সৃষ্টি শাটলের ক্যাম্পাস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। প্রকৃতির শোভামণ্ডিত পাখির কলকাকলিতে মুখরিত সবুজ এই ক্যাম্পাস।

কুয়াশার চাদর জড়িয়ে কন কনে শীতের শিশির ভেজা সকালে নীরবে বসে পাখির কিচির মিচির শব্দ শুনতে কার না ভালো লাগে। আর এই অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে পাওয়া যায় কোলাহল মুক্ত চবির কেন্দ্রীয় মাঠের উত্তর-পূর্ব পাশে।

কেন্দ্রীয় মাঠের উত্তর পূর্ব পাশে অবস্থিত পুরাতন শামসুন নাহার হল ও এর চারপাশের এলাকা জুড়ে সকাল সন্ধ্যা দেখা যায় বাহারি রকম দেশীয় পাখির মিলন মেলা। পাখির কিচিরমিচির শব্দের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাখি ও মানুষের বসবাসের এক অন্যরকম চিত্র দেখা যায় চবি ক্যাম্পাসে।

সারা বছর জুড়ে নানা জাতের পাখি আর তাদের কুঞ্জন শুনে মনে হয় চবি ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় মাঠের উত্তর পূর্ব অংশ যেনো পাখিদের নিজ পৈত্রিক সম্পত্তি। এখানে গাছে গাছে চলে শুধু তাদেরই রাজত্ব। নানা বর্ণের এই পাখিগুলো সূর্য রাতের কোলে ঢোলে পড়ার আগেই স্থান করে নেয় বিভিন্ন গাছের ডালে। আবার সূর্য উঠার আগেই মাঠের উত্তর পাশের বৃহৎ জায়গা জুড়ে নিজেদের কিচির মিচির কলকাকুলিতে মানুষকে জানান দেয় আরো একটি নতুন সূর্যোদয়ের। শীত কুয়াশার মাঝে এ যেনো এক নান্দনিক সৌন্দর্যের পুরোধা।

পাখির এই কিচিরমিচির শব্দ মনের প্রশান্তি যোগায় চবি ক্যাম্পাসের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ক্যাম্পাসে আগত সকল অতিথিদের। পাখির কিচিরমিচির শব্দের সঙ্গে মিলে মিশে চবি ক্যাম্পাসে পাখি আর মানুষের যেনো এক অপরূপ বসবাস।

এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে সকাল-সন্ধ্যায় চবি কেন্দ্রীয় মাঠের উত্তর পূর্ব পাশে ভিড় জমায় বহু পাখি প্রেমিকসহ আরো অনেক দর্শনার্থী।

শিক্ষার্থী: আরবি ভাষা ও সাহিত্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।